স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জ বাঁচাবেন যেভাবে

১৯ মার্চ, ২০২২ ০৭:৩১  
স্মার্ট ফোন যত স্মার্ট হচ্ছে ততোই যেনো কমছে এর ব্যাটারির দীর্ঘস্থায়িত্ব। বিশেষ বিভিন্ন অ্যাপের ব্যবহার, বড় পর্দা এসব কারণেই ব্যটারি খরচ হয় বেশি। আমাদের স্মার্টফোনের ব্যাটারি স্বল্প সময়ের মধ্যে নিঃশেষ হয়ে যায়। কারণ, আমরা মোবাইলে এমন কয়েকটি সেটিংসকে সক্রিয় করে রাখি বা কিছু অপ্রয়োজনীয় কাজ করি, যার জন্য এই ব্যাটারি সংক্রান্ত সমস্যাটি দেখা দেয়। তাই চার্জ বাঁচাতে নিজের কৌশলগুলো ব্যবহার করতে পারেন। বড় স্ক্রিনের ফোনে ব্যবহার করুন অ্যাডাপ্টিভ ব্রাইটনেস ফিচার স্মার্টফোনের ব্যাটারি খরচ কমাতে রাতে ব্যবহারের সময় বিভিন্ন অ্যাপের ডার্ক মোড ফিচার ব্যবহার করা যেতে পারে। পাশাপাশি স্মার্টফোনের লাইভ ওয়ালপেপারের বদলে কালো রঙের ওয়ালপেপার ব্যবহার করেও উপকার পাওয়া যাবে। এছাড়াও যাদের স্মার্টফোনের স্ক্রিন বড় তারা ব্যাটারির খরচ কমাতে সেটিংস থেকে ব্যবহার করতে পারেন অ্যাডাপ্টিভ ব্রাইটনেস ফিচার। ফিচারটি চালু থাকলে আশপাশের আলো পর্যালোচনা করে স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কমে বা বৃদ্ধি পায়। স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কম হলে ব্যাটারিও কম খরচ হবে। আর তাই  আপনার ডিভাইসের সেটিংসে থাকা ‘screen timeout / screen timer’ অপশনটির সময়সীমা কমিয়ে দিন। নেটওয়ার্ক এক্স টেন্ডার ব্যবহার যেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক পেতে বেগ পেতে হয় সেই জায়গাগুলোতে ফোন সচল অবস্থায় নেটওয়ার্ক এক্স টেন্ডার বা সিগন্যাল বুস্টার ব্যবহার করেও স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জ বাঁচানো যায়। অলটাইম জিপিএস চালু থেকে বিরত থাকুন স্মার্টফোনের জিপিএস লোকেশন, ওয়াই-ফাই এবং ব্লুটুথ সেবাগুলো ব্যাটারি বেশি খরচ করে। আর তাই প্রয়োজন ছাড়া জিপিএস লোকেশন, ওয়াই-ফাই এবং ব্লুটুথ সেবা বন্ধ রাখাই ভালো। অ্যাপের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ কাজের সময় আমরা সাধারণত ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাপগুলো ব্যবহার করি না। তবে বন্ধ থাকলেও অ্যাপগুলো কিন্তু ঠিকই বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের জন্য স্মার্টফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু থাকে। ফলে ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে যায়। আপনি চাইলেই ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকা অ্যাপের কার্যক্রম নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ রাখতে পারেন। এ জন্য Settings থেকে Apps অপশনে প্রবেশ করে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো নির্বাচন করুন। এবার Advanced থেকে Battery অপশন থেকে Restricted নির্বাচন করলেই অ্যাপগুলোর কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। এর পাশাপাশি প্রয়োজন না থাকলে স্মার্টফোনের ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রেখেও ব্যাটারির খরচ বাঁচানো যায়। ব্যাটারি সেভার এবং লো পাওয়ার মোড অন রাখুন এই ফিচার ব্যাটারির চার্জ ২০ শতাংশ নিচে চলে আসলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওয়াইফাই, জিপিএস, ইন্টারনেট ডাটা বন্ধ করে দেয়। এতে শেষ মুহূর্তেও কিছু পরিমাণ চার্জ অবশিষ্ট থাকবে, যা প্রয়োজনে বিপদ থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও - # কীবোর্ড সেটিংসে গিয়ে সেটির ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ড বা ভাইব্রেশন অপশনটিকে অফ করে দিন। একইভাবে অব্যবহৃত অ্যাকাউন্টগুলিকে ডিলিট করে দিন। # এমন কাজগুলি করা থেকে বিরত থাকুন, যেগুলি দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনকে চালু রাখে। # মোবাইলে সর্বক্ষণ ইন্টারনেট কানেকশন অ্যাক্টিভ করে রাখবেন না। যখন ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন না তখন মোবাইল ডেটা অফ করে রাখুন। # বারংবার নোটিফিকেশন প্রেরণ করে এমন অ্যাপগুলিকে উপেক্ষা করুন। # কানেক্টিভিটি এবং লোকেশন অপশনগুলির ব্যবহার সীমিত করুন।